এখন TMCP কর্মীরাও নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না
শুধু মাদার তৃণমূল নয়, তার শাখা সংগঠন tmcpও সরে যাচ্ছে মমতার পাশ থেকে। তৃণাঙ্কুরের পোষ্ট থেকে তেমন ধারণা করছেন নাগরিক মহল। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গ্রুপে ‘গৃহদাহ’। তৃণমূলের ‘মুষলদহ’ পর্বে এবার টিএমসিপি-তেও চলছে তীব্র টানাপোড়েন। রাস্তায় নামতে ভয় পাচ্ছেন TMCP কর্মীরাও। অভিযোগ সেই একটাই, নেতৃত্বকে পাশে মিলছে না। TMCP-এর গ্রুপে নিজেকে ব্যর্থ বলে আফসোস TMCP রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। সামনে এসেছে এক বিস্ফোরক চ্যাট। সেই চ্যাটে স্পষ্ট, Y চ্যানেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনা অবস্থান করেছেন, তাতে সেখানে বারবার যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। টিএমসিপি কর্মীদের রাস্তায় নামতে অনুরোধ করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও সাড়া মিলছে না। TMCP-র হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিজেকে ব্যর্থ বলে আফসোস করছেন রাজ্য সভাপতি। পাশাপাশি নেতৃত্বকেও পাশে না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে TMCP নেতাদের।
সেই চ্যাটে দেখা যাচ্ছে, তৃণাঙ্কুর যখন গ্রুপে লম্বা লম্বা টেক্সট করছেন কর্মীদের উদ্দেশে, তাঁদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার আবেদন জানাচ্ছেন, তার পাল্টা কর্মীরাও গ্রুপে লিখছেন, রাস্তায় নামবেন তাঁরা কার অভয়ে, কারণ সংগঠনের কোনও নেতাদেরই তো পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। জেলার পার্টি অফিস বন্ধ, তাহলে নামবেন তাঁরা কীসের-কাদের ভরসায়?
তার প্রত্যুত্তরে তৃণাঙ্কুরকে গ্রুপেই টেক্সট করতে দেখা গিয়েছে, ‘তাহলে কি আমি ব্যর্থ সভাপতি?’ অর্থাৎ এই গ্রুপের চ্যাটেই পরিষ্কার, এখন এই পরিস্থিতিতে TMCP কর্মীরাও নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না।ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে শিয়ালদহ সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে লক্ষ লক্ষ উইপোকা খাওয়া টাকা! সেই টাকার উৎস কী, তা নিয়েই চলছে তদন্ত। উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রও। তাতেই বোঝা যাচ্ছে, কলেজগুলোর ইউনিয়নের অবস্থা ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে!