২৮ বছর পরে আবার কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন মমতা
একেই বলে নাটকীয় ট্র্যাজেডি। ২৮ বছর আগে দূরন্ত নিন্দা করে যে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন, দুর্দিনে আবার সপার্সদ (মাত্র কয়েকজন ) সেই কংগ্রেসেই ফিরতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনের পর জল্পনা আবার কংগ্রেসে ফিরতে পারেন মমতা। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) এই প্রস্তাব দিয়েছেন। এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কি না, তার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছেন মমতা, এমনটাই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। ২৮ বছর পর ঘরে ফিরবেন মমতা? সত্যি উঠে যাবে মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস? সূত্রের খবর, গতকাল সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
একই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যও। অভিষেককে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রস্তাব দিয়েছেন রাহুল গান্ধী বলে সূত্রের খবর। কংগ্রেস কর্মীরা এখন শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে। তবে চুরি বা দুর্নীতির অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের দলে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসে যারা রয়েছেন, তারাও আপত্তি তুলতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আগামিকাল, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টরা বৈঠকে বসতে চলেছেন। সেখানে রাজ্য থেকে শুভঙ্কর সরকারও যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে, মমতা বিরোধী যারা কংগ্রেস নেতৃত্ব রয়েছেন, তারা কংগ্রেসের বিভিন্ন আসনে বসতে পারেন। এই বিষয়ে শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমি রাজনীতি করি মাটির উপরে দাঁড়িয়ে। আমি মনে করি, রাজনীতি সম্ভাবনাময় শিল্প। সেই সম্ভাবনাময় শিল্প কখন কোন দিকে গতি নেবে, তা আগামিদিনে বা আগামী কিছু সময়ের পর দেখতে পাবেন। অগ্রিম কোনও বিষয়ের উপরে রাজ্য কংগ্রেস প্রতিক্রিয়া দেবে না। শুধু এইটুকু বলতে পারি, বিজেপির অত্যাচারের বিরুদ্ধে, আরএসএসের বিচারধারার বিরুদ্ধে যিনি লাগাতার লড়াই করছেন, ভারতের সংবিধানকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন, তিনি রাহুল গান্ধী।