বৃষ্টিতে কি বিঘ্নিত হতে চলেছে কলকাতার যোগ দিবস অনুষ্ঠান - কি বলছেন শুভেন্দু
একদিকে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। অন্যদিকে পাঞ্জাব থেকে বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষরেখা। জোড়া ফলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত টানা বৃষ্টি। তার ফলে জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলেই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। রবিবার আবার যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় মেগা পরিকল্পনা। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বৃষ্টিতে কি বাদ সাধবে মেগা পরিকল্পনা? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর সফর ঠিকঠাকই হবে। কোনও অসুবিধা হবে না। আমাদের এখানে এই সময় বর্ষা হয়। কর্মসূচিও নির্দিষ্ট। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার যৌথ কর্মসূচি করছে। সরকারি আধিকারিক, মন্ত্রীরা খেয়াল রেখেছেন। আমরা আশাবাদী পরিকল্পনা সফল হবে।" পূর্বতন সরকার বিপর্যয় মোকাবিলায় তৎপর ছিলেন না বলেই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ের সময় পুজো কার্নিভাল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।
প্রথমবার বিজেপি সরকারের বাংলায় রেড রোডে দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবারের থিম 'সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ'। বিশ্ব জুড়ে ২ হাজার ৫০০টি জায়গায় এবং ২১০টিরও বেশি ভারতীয় মিশন ও পোস্টের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হওয়ার কথা। অগণিত মানুষ যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলেই জানা গিয়েছে। তাঁদের সুবিধায় ভোর চারটে থেকে মেট্রো পরিষেবা শুরু হবে। বৃষ্টি নিয়ে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে। ঠনঠনিয়া, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট জলমগ্ন। আর জি কর থেকে উল্টোডাঙা খালপাড় বরাবর রাস্তাও জলের তলায়। ভবানীপুরে হাঁটু জল। ইএম বাইপাসের মুকুন্দপুর, নয়াবাদ, কালিকাপুরও জলমগ্ন। টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো এবং সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের মুখেও খানিকটা জল জমে। যদিও জল দ্রুত নেমে যায়। আলিপুর চিড়িয়াখানার দু'টি জলের পাইপ ফেটে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।