সম্পূর্ণ নীরব অনুব্রতর খোঁজ মিলছে না - ভোটে হারার দায় চাপালেন আই-প্যাকের উপর
ভোটের ফল বের হবার পরে অনুব্রত আর ঘর থেকে বের হন নি। যান নি পার্টি অফিসে। কলকাতার সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করেন নি। দীর্ঘদিন পরে অবশেষে তিনি খুললেন।
ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবি জন্য দায়ী করলেন আইপ্যাককে। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “আইপ্যাকই তৃণমূলের ভরাডুবির মূল কারণ।” বোলপুরে তৃণমূলের জেলা দলীয় কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন, “আইপ্যাক এসেছে, দল শেষ হয়েছে। সংগঠনের শক্তিতেই দল চলে। আইপ্যাক দিয়ে দল চলে না।” আক্ষেপের সুরে জানান, নির্বাচনে তাঁকে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? তিনি কি অন্য কোনও দলে যাবেন, কিংবা তৃণমূলের বিদ্রোহীদের দলে নেতা হিসাবে যোগ দেবেন? রহস্য জিইয়ে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় ‘কেষ্ট’র উত্তর, “সম্মান পেলে দল করব, না পেলে নীরব থাকব।”
এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের ছাপই আমার গায়ে লেগে আছে। অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবিনি। প্রতিদিন বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে আসি। এটাকে আমি মন্দির বলে মনে করি। তবে দলের সর্বনাশ করেছে আইপ্যাক। সংগঠনের তথ্য বাইরে পাচার করেছে। বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তাদের কোনও সংযোগ ছিল না।” নির্বাচনে দল হারার পর কার্যত অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলে দলের পরাজয়, সাংগঠনিক পরিস্থিতি, আইপ্যাকের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও তাঁকে কোনও বিশেষ দায়িত্ব না দেওয়া নিয়ে একের পর বোমা ফাটালেন ‘একদা’ বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত।