“আগের মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, ‘আমি সব জানি’। কিন্তু আমি বলি, আমি কিছুটা জানি। কিন্তু সবটা জানি না। এটাই পার্থক্য।” - শুভেন্দু
ধনধান্য স্টেডিয়ামে এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে আপনাদের সবার সঙ্গে দেখা হয়েছে। কথা হয়েছে। যখন আপনাদের চা চক্রে গিয়েছিলাম, তখন আপনারা অনেকেই বুঝেছেন কিন্তু নিশ্চিন্ত হননি যে বিজেপি এবার ক্ষমতায় আসছে। অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে বিতাড়িত করার পর কিছুটা হলেও মনে সাহস এসেছে। সকাল সকাল বেরিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রের মানুষেরা ভোট দিয়েছেন। মানুষ ভেবেছিলেন, হারলে হবে না এবার। না হলে এ রাজ্যে থাকা যাবে না। মানুষের সমর্থন আমি পেয়েছি।” সেখানেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী খোঁচা দেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে শিল্পায়ন এগিয়ে আসতে এদিন সবাইকে আহ্বান জানান শুভেন্দু। বললেন, “রাজ্যে ধীরে ধীরে শিল্পের বিকাশ ঘটাব আমরা।”
শুভেন্দু বলেন, “অর্থনৈতিক ভারসাম্য ঠিক রাখার প্রয়োজন রয়েছে। বাজেটে যেগুলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে প্রণয়ন করা সবার আগে কাজ। দেশের সুরক্ষার জন্য আমরা সরকারের এসে বিএসএফকে জমি দিয়েছি। বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার তাদের প্রশ্রয় দিয়েছে।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, ‘আমি সব জানি’। কিন্তু আমি বলি, আমি কিছুটা জানি। কিন্তু সবটা জানি না। এটাই পার্থক্য।” পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, “এখানে ভারতীয় ন্যায়সংহিতা ছিল না। সেটা চালু হয়েছে। সেন্সাসের কাজ শুরু করেছি আমরা, যেটা রাজ্যের অর্থনীতির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।” গুন্ডা দমন বিল পাশের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
