ফের শূন্য থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতার - মদনের সরে যাওয়া একটা বড় ধাক্কা
কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই ছেলেকে ইডি তলব করতেই মদন সোজা যোগ দিলের ঋতব্রত শিবিরে। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একটা বড় ধাক্কা। শহিদ স্মরণের জায়গা বদল। সব নিয়ে মমতার তৃণমূল আরও ‘ছন্নছাড়া’। এই অবস্থাতে ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর সঙ্গ ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে যাওয়াদের আরও একবার বেইমান বলেছেন তিনি। তাঁদের জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলে জানিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি দলের জন্মলগ্নে লড়াই করতে পারলেও এখনও তিনি লড়াই করতে পারবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এ দিন সোশাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “দলের প্রতীক দেখে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন। বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ১৯৯৭ সালে একা ছিলাম। লড়াই করেছি। এখন ১৮ জন সাংসদ আছে। আরও বিধায়ক আছে। সেই সময় পারলে, ২০২৬ সালেও শুরু করার ক্ষমতা রাখি।”
২৬ এর নির্বাচনের পর তৃণমূলের ভাঙন পর্ব অব্যাহত। বুধবার ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন মমতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী মদন মিত্র। বিরোধী দলনেতার ঘরে যাওয়ার সময় মদনের দাবি, অভিষেকের জন্য এই দশা। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, “অভিষেক বাহানা। ওর ভুল মাফ হয়ে গিয়েছে। সে লড়ে যাচ্ছে। আগামী ৫০ বছর লড়বে।” মদনের ছেড়ে যাওয়া নিয়ে নাম না করে বলেন, “ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছেলে, স্ত্রীর নামে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। আরও একজন আজ গিয়েছে, আগেই জানিয়েছিলেন তার পরিবারকে ইডি সমন করেছে। বুঝতে পেরেছিলাম। সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” এরপরই মমতা তৃণমূলের প্রতিষ্ঠালগ্নের কথা তুলে এনে, বর্তমানেও লড়াই জারি রাখার কথা বলেছেন। ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার করেছেন তিনি। মমতা বলেন, “১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি আমরা প্রতীক পাই। ১ মাসের ২২ দিনের মাথায় নির্বাচনে লড়াই করেছি। "