"অর্থমন্ত্রী হিসাবে বাজেট সম্পর্কে কিছুই জানতাম না আমি, শুধুই সই করতাম " - চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
এই অভিযোগ ভয়ঙ্কর অভিযোগ। সোনা যায় আই-প্যাগ বাজেট তৈরী করে দিতেন আর চন্দ্রিমা অর্থমন্ত্রী হিসাবে তা পাঠ করতেন। দলের মধ্যে যে কতটা দমবন্ধ করা পরিস্থিতি ছিল, সেটাও এতদিনে শোনা গিয়েছে কাকলি, রচনাদের মুখ থেকে। এবার তালিকায় নতুন নাম চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য । ইস্তফা দেওয়ার পরই তিনি দাবি করেছেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট সম্পর্কে কিছু জানতেও পারতেন না তিনি। আর এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষমা চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। দলের প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তিনি কতটা অনুগত ছিলেন, পদত্যাগ করার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই সে কথা অনেকবার বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, মমতার একটা প্রশ্নেই খারাপ লেগে যায় তাঁর। কুণাল ঘোষরা প্রশ্ন তুলছেন, একের পর এক দফতরের মন্ত্রী হওয়ার সময় অভিমান কোথায় ছিল চন্দ্রিমার? কুনাল ঘোষ যাই বলুন দলের মধ্যে থেকে দলের বিরুদ্ধে বলা আসলে শৃঙ্খলাভঙ্গের নজির - যা চন্দ্রিমা করেন নি।
সাংবাদিক বৈঠকে চন্দ্রিমা উল্লেখ করেন, মন্ত্রী হলেও গুরুত্ব ছিল না তাঁর। বাজেট নিয়েও তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হত না। গোপন রাখা হত তাঁর কাছ থেকেও। প্রাক্তন মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আমার বিশ্বাসযোগ্যতা কী, আনুগত্য কতটা, তা আপনারা জানেন। আপনাদের সঙ্গে আমি রূঢ় ব্যবহার করেছি। আমি স্বীকার করছি। আপনাদের বলেছি, বলব না, মন্ত্রগুপ্তি আছে, মমতার নির্দেশ ছাড়া কিছু বলব না। আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিইনি। আপনাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।” দলের সদস্যপদ ছেড়েছেন কি না, সে ব্যাপারে কোনও সদুত্তর দেননি শুক্রবার পদত্যাগ করার পর চন্দ্রিমা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেই ছবি সামনে এসেছে। তারপরও শিবির বদলের কথা নিজে মুখে স্বীকার করেননি চন্দ্রিমা।
