Type Here to Get Search Results !

রাবনের জন্মস্থান কিন্তু শ্রীলঙ্কায় নয়, দিল্লির কাছের এই গ্রামে

 অফবিট 


রাবনের জন্মস্থান কিন্তু শ্রীলঙ্কায় নয়, দিল্লির কাছের এই গ্রামে 



  ভারতীয় মাইথলোজি এক বিচিত্র জগৎ। সেখানে আছে বহু বিচিত্র খবর - যা হয়তো আমরা কখনো জানতামই না। তেমনই একটি বিষয় হলো রাবনের জন্মস্থান। লঙ্কাপতি রাবণকে সকলে শ্রীলঙ্কার সম্রাট বলেই জানেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার বিসরখ গ্রাম ঘিরে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী ইতিহাস। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, লঙ্কাধিপতি রাবণের জন্ম হয়েছিল এখানেই। পৌরাণিক কাহিনি ও লোককথার আধারে এই গ্রাম এখন অনন্য এক দর্শনীয় স্থান। দিল্লির কোলাহল ছাড়িয়ে সামান্য দূরেই এর অবস্থান। গ্রেটার নয়ডার কোল ঘেঁষে থাকা বিসরখ গ্রামের নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে গভীর পৌরাণিক ঐতিহ্য। রাবণের পিতা মহর্ষি বিশ্রবার নামানুসারেই গ্রামের নাম হয়েছে বিসরখ। কথিত আছে, ঋষি বিশ্রবা একসময় এই গ্রামেই বাস করতেন। দেবদেবীর সাধনার পাশাপাশি এখানেই তিনি দেবাদিদেব মহাদেবের কঠোর তপস্যা ও পুজো করতেন।


  এই গ্রামের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল বিরল রাবণ মন্দির। ভারতবর্ষের বুকে লঙ্কাপতির স্মরণে গড়ে ওঠা এমন মন্দির সত্যিই দুর্লভ। সাধারণ দর্শনার্থী থেকে শুরু করে দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষ কেবল ধর্মীয় ভক্তি নয়, রামায়ণের এই বিতর্কিত চরিত্রকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে জানার আগ্রহেই এই বিশেষ মন্দিরে ভিড় জমান।সমগ্র দেশে যখন মহা ধুমধামে বিজয়া দশমীতে রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়, বিসরখে তখন বিষাদের ছায়া। এখানে কোনও উল্লাস বা পুত্তলিকা দাহ হয় না। গ্রামবাসীরা রাবণকে তাঁদের পূর্বপুরুষ এবং পরম শিবভক্ত মহামতি পণ্ডিত মনে করেন। তাই দশমীতে উৎসবের বদলে প্রার্থনার মাধ্যমে প্রথা পালন করেন। সমগ্র দেশে যখন মহা ধুমধামে বিজয়া দশমীতে রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়, বিসরখে তখন বিষাদের ছায়া। এখানে কোনও উল্লাস বা পুত্তলিকা দাহ হয় না। গ্রামবাসীরা রাবণকে তাঁদের পূর্বপুরুষ এবং পরম শিবভক্ত মহামতি পণ্ডিত মনে করেন। তাই দশমীতে উৎসবের বদলে প্রার্থনার মাধ্যমে প্রথা পালন করেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.