সুকান্তনগরের এক গেস্ট হাউসে দেহ ব্যবসা করানোর দায়ে গ্রেফতার হলো সুজিত বসুর ঘনিষ্ট সায়ন দে
প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর আশীর্বার নিয়ে বিরাট সাম্রাজ্য খুলে বসেছিল সায়ন দে। মধুচক্রের হট্টমেলা। এবার ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, বহুদিন ধরে বহু অভিযোগ জানালেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। এবার নিয়েছে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত এখন জেলবন্দি। এবার গ্রেফতার করা হল তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে’কে। সল্টলেকের সুকান্তনগরে গেস্ট হাউসে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের অনৈতিক কাজ করানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও একজনকে। যদিও ধৃত সায়ন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সল্টলেকের সুকান্তনগরে ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরেই মধুচক্র চলে বসে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। তৃণমূলের আমলে স্থানীয় বাসিন্দারা কোনও অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এলাকার মানুষ বহুবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তারপরও বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে পুলিশ কোনওরকম ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তন হতেই পুলিশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হল।
বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশের পক্ষ থেকে শুক্রবার তল্লাশি চালিয়ে ওই গেস্ট হাউস থেকে কয়েকজন মহিলা এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের বয়ান নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে সুজিত বসু ঘনিষ্ঠ সায়ন দে’কে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর সঙ্গে অনির্বাণ নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করে এদিন ২ জনকে আদালতে তোলা হয়। এই নিয়ে বিজেপির বিধাননগর মণ্ডল-২ সহসভাপতি শান্তনু সরকার বলেন, “নিচে খাওয়ার হোটেল ছিল। আর দোতলায় মধুচক্র চালাতেন সায়ন দে। সুজিত বসুর ডান হাত ছিলেন তিনি। আমাদের এখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলরের খাস লোক ছিলেন। প্রোমোটারদের কাছ থেকে তোলাবাজি করতেন। জমি দখল, তোলাবাজি ছিল প্রধান কাজ। সুজিত বসুর হাত ওর মাথায় ছিল। বছর ছয়েক ধরে এখানে রয়েছে সায়ন।"
