আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মহত্যার পিছনে আছে তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের দুর্নীতি - ঋতব্রত
প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু রহস্য নিয়ে এবার মুখ খুললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের আবেদন করেছেন। রবিবার সকাল থেকে বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। কেন এই মৃত্যু, নেপথ্যে লুকিয়ে কোন কারণ, তা নিয়ে চর্চা সর্বত্র। এই পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তের আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখলেন ‘আসল তৃণমূল’-এর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আশঙ্কা, ঘটনার নেপথ্য তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের দুর্নীতি। বিষয়টা ঠিক কী? রবিবার রাজ্যের প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী তথা বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে কার্যালয় থেকে। মিলেছে হাতে লেখা একটি চিঠিও। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ছাত্রবস্থা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
কোনওদিনই কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হইনি। ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানেও কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়াইনি। রাজনৈতিক বাগবিতণ্ডা হয়েছে। কখনও শত্রুতার রূপ নেয়নি। সর্বদা সব দলীয় অন্যায়কে মেনে নিতে না পারলেও প্রতিবাদ করতে পারিনি। সারাজীবন এক পয়সা কোনও কাজের বিনিময়ে নিইনি।’’ সেই চিঠিতেই উল্লেখ ছিল তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের। তাতেই এই মৃত্যুর নেপথ্যে তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের দুর্নীতির যোগ রয়েছে বলে আশঙ্কা অনেকেরই। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি সেই জল্পনার আগুনেই ঘি ঢালল! চিঠিতে কী লিখেছেন ঋতব্রত? “আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু অনেকগুলো অপ্রিয় প্রশ্ন সামনে তুলে এনেছে। টিআরডিএর টেন্ডার নিয়ে ওনাকে কোনও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা দরকার। টিআরডিএর-সহ অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদগুলোতে দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।”