প্রবল জলস্ফীতিতে ডুবে গেলো ভুতানি দ্বীপের ১৯টি গ্রাম
বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ মালদায়। জলের সীমা বেড়েই চলেছে, ডুবছে মানুষের ঘরবাড়ি। মানুষ বড় অসহায়। জানা যাচ্ছে ভুতানি দ্বীপের বেশ কয়েকটা গ্রাম ইতিমধ্যে জলের তলায় চলে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আটটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মালদহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মানিকচক ও রতুয়া এলাকায় ভাঙন রোধে এবং ত্রাণ বণ্টনে জোর দিয়েছেন। তবে এদিন পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে কেশরপুর কলোনি এলাকায় যান রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু, বিধায়ক গৌরচন্দ্র মন্ডল ও জেলা পুলিশ সুপার। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তাঁরা। মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানান, ১৯টি গ্রাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ মানুষ নতুন করে জলবন্দি হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
বহু ঘরবাড়ি ও চাষের জমি জলের নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আটটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেচ দপ্তর, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে বালির বস্তা ফেলে জল আটকানোর এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রশাসন গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন। এবারের বন্যা ও ভাঙনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিদর্শন শেষে সেচ প্রতিমন্ত্রী জানান, দুর্গতদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে। জলমগ্ন গ্রামগুলিতে নৌকা ও মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন সবরকমভাবে কাজ করছে।